ঢাকাTuesday , 3 August 2021
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইটি বিশ্ব
  4. আজকের পত্রিকা
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া সংবাদ
  7. ইউনিয়ন নির্বাচন
  8. ইতিহাস
  9. ইসলাম ও জীবন
  10. ঐতিহ্য
  11. কবিতা
  12. করোনা
  13. কৃতি সন্তান
  14. কৃষি সংবাদ
  15. খেলা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

স্কুল প্রতিষ্ঠান বন্ধ ; মোবাইল গেমে শিক্ষার্থীদের জীবন বিপন্ন

Link Copied!

আধুনিকতার ছোয়াই যখন সমগ্র বিশ্ব ভাসমান তখন আমাদের বাংলাদেশ ও তার প্রভাব লক্ষনীয়।

আধুনিক তথ্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেমন ব্যাপক উন্নতি লক্ষ করা যায় ঠিক তেমনি তার বিপরিত দিক ও মাঝে মাঝে লক্ষনীয়।

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার কিশোর যুবকদের মাঝে মোবাইল গেম পাপজি, ফ্রি ফায়ার লাইকি এবং টিকটক এর ব্যাপক প্রভাব লক্ষ করা যায়। যাতে করে কিশোর ও যুবকরা নৈতিকতা থেকে অনৈতিক দিকেই বেশি ঝুকছে। করোনা মহামারীতে দেশ যখন দূর্যোগের মুখে তখনো থামেনি অনলাইন গেইমের যাত্রা স্কুল কলেজ বন্ধ থাকায় উর্তি বয়সের কিশোরেরা ব্যাপক ভাবে ঝুকছে এসব গেইমের দিকে।

এসব বিভিন্ন ভিডিও, গেম খেলে যুবকরা তাদের চলাফেরা, আচার-আচরণ, শিষ্টাচার, নৈতিক সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ থেকে অনেকটাই দূরে সরে যাচ্ছে।

দেখা যায় যে তাদের চুলের কাটিং,দাড়ির কাটিং , পোশাক পরিচ্ছেদ ইত্যাদি সামাজিক নিয়ম পরিপন্থী। যাতে করে দেখাযায় তারা আরো বিভিন্ন অন্যায় মূলক কার্যক্রম এর সাথে জড়িয়ে যাচ্ছে সংযোক্ত হচ্ছে অপরাধের মত কার্যক্রমের সাথে। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যখন বন্ধ তখন কিশোর যুবকদের মাঝে লক্ষ্য করাযায় এ সকল গেম নামক অপরাধের প্রবণতা। যা থেকে উৎপত্তি হচ্ছে কিশোর গ্যাং এর মত অপরাধী চক্র।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব গেম পাপজি,ফ্রি ফায়ার , টিকটক লাইকি ও অসামাজিক ভিডিও দেখে আজকের যুব সমাজ ধংব্বশের দিকে দাপিত হচ্ছে এবং বিভিন্ন নেশার সাথে নিজেকে জড়িয়ে নিচ্ছে । যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ঠেলে দিচ্ছে ধর্ব্বশের দিকে যদি এখন এ যুবক ও কিশোর সমাজকে প্রতিহত না করা যায় তবে তার রূপ ভয়াবহ ধারন করতে পারে যে কোনো সময়।

হাজী জাফর আলী কলেজের আতাউর রহমান সোহাগ বলেন, যে আজকের কিশোর- যুবক আগামীর দিনে দেশ ও জাতি রক্ষায় অগ্রনী ভূমিকা পালন করবে কিন্তু বর্তমান পরিস্হিতিতে দেখা যাচ্ছে অবসর সময় কে তারা ভালো কাজে ব্যবহার না করে তারা ব্যবহার করছে মরণমুখী এসব গেম এ। তিনি আরো বলেন যে কিশোরদের এ রূপের কাজের জন্য তার পরিবারই দায়ী কেননা পারিবারিক শিক্ষায় পারে একমাত্র এসব থেকে কোমলমতি কিশোরদের কে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে। তথ্য প্রযুক্তির অবাধ ব্যবহারের কারণেও এসমস্ত মরণমুখী গেম ছড়িয়ে পড়ছে শিক্ষার্থীদের ওপর।

একজন কিশোরের অবিভাবক বলেন তার ছেলে রাতে কেমন যানি চিৎকার করে ওঠে এবং বলে যে এনিমি এনিমি , এটাক্ট,শুট হিম এমন আশ্চর্যবোধক কথা প্রায় সময়ই বলে ওঠে। বাস্তবিক ভাবে সে মোবাইল ছাড়া আর কিছুই বুজে না এবং বলে যে বাবা টাকা দাও ডায়মন্ড কিনব না দিলে ঘরে থাকা জিনিসপত্র নিয়ে ভেঙে দেয়। তাই তিনিও চায় তার ছেলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুক।

একজন ডাক্তার বলেন যে অবাধ মোবাইল ফোন ব্যবহারে একজন কিশোর মানসিক ভাবে ভারসাম্যহীন হয়ে যায় তখন সে কি করছে তা বুজতে পারে না। তাই যদি মোবাইল ফোনের গেম এর অবাধ ব্যবহার বন্ধ না করা যায় তবে ভবিষ্যতে প্রজন্ম ধংব্বশের দিকে চলে যাবে। তাই সময় থাকতে সকল প্রকার সমস্যা নিরসনে পরিবারই পারে কঠোর ভাবে তা দমন করতে।

জাতির মূল হাতিহার হলো শিক্ষিত যুবক কিন্তু যুবক যদি অঙ্কুর থেকে বিনষ্ট হয়ে যায় তবে জাতিকে তার চরম পরিণাম বহণ করতে হবে। তাই মরণমুখী এ সব গেম ও ভিডিও থেকে আপনার আমার সন্তানকে ফিরিয়ে আনতে সকলকেই সচেতন হতে হবে।