Pakundia Pratidin
ঢাকাসোমবার , ৭ আগস্ট ২০২৩
  1. আন্তর্জাতিক
  2. ইতিহাস
  3. ইসলাম ও জীবন
  4. কৃতি সন্তান
  5. জাতীয়
  6. জেলার সংবাদ
  7. তাজা খবর
  8. পাকুন্দিয়ার সংবাদ
  9. ফিচার
  10. রাজনীতি
  11. সাহিত্য ও সংস্কৃতি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিসি এস কাস্টমসে প্রথম হলেন পাকুন্দিয়ার জিসান

প্রতিবেদক
পাকুন্দিয়া প্রতিদিন ডেস্ক
আগস্ট ৭, ২০২৩ ৭:৪২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট : পাকুন্দিয়া উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের কাজীহাটি গ্রামের সাব্বির আহাম্মেদ জিসান ৪১ তম বি সি এস (কাস্টমস) পরিক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে।

সে কাজিহাটি গ্রামের মুন্সীবাড়ীর রুহুল আমিন মাস্টার ও বাছিরাতুন্নেছা লিপির একমাত্র সন্তান। সে নিজ এলাকা থেকেই কৃতিত্বের সাথে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষা শেষ করে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন ময়মনসিংহের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে।

এরপর ভর্তি হন খুলনা ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ে সেখানের পাঠ সমাপ্ত করে সে পড়াশুনোর পাশাপাশি সামাজিক নানা উন্নয়নমূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন।

এ প্রসঙ্গে জিসানের এক শিক্ষক বদরুল হুদা সোহেল তার নিজস্ব ফেসবুক ওয়ালে লিখেন ” কুয়েটের (খুলনা) ছাত্র হওয়াতে ওকে পড়ানোর সৌভাগ্য হয়নি। তবে করোনাকালে ২০২১ সালে সে কিশোরগঞ্জে আসায় বিসিএস লিখিত পরীক্ষার অনুরূপ ইংরেজি বিষয়ের তার কিছু মডেল টেস্ট এর খাতা দেখার সুযোগ পাই। তার ভাষ্যমতে ওই খাতাগুলোর মূল্যায়ন তাকে অনেক এগিয়ে নিয়েছে। বলে রাখি আমরা যেভাবে ট্রেডিশনাল ওয়েতে খাতা দেখি আমি ওর খাতাগুলো ওভাবে দেখি নি। যেমন, একটি প্যাসেজ এর টাইটেল কিভাবে লিখতে হয়, কিভাবে টপিক সেনটেন্স লিখতে হয়, স্কিমিং কিভাবে করতে হয়, কানেক্টর কিভাবে ব্যবহার করে বাক্য সম্প্রসারিত করতে হয়, প্যাসেজ থেকে উত্তর লিখার সময় কিভাবে শুরু করতে হয়, ইনফারেন্স প্রশ্নের উত্তর কিভাবে সাজাতে হয় ইত্যাদির একটি নির্দেশনা ওর খাতাগুলোতে লিখে দিয়েছিলাম। আর প্রস্তুতির জন্য নিয়মিত ইংরেজি পত্রিকা পড়ার পরামর্শ তো ছিলই। ওর খাতা দেখেই বুঝেছিলাম ওকে দিয়ে সম্ভব। কারণ এতো সুন্দর করে গুছিয়ে ইংরেজি লেখা আজকাল কালেভদ্রে চোখে পড়ে। জিসান তুমি আজ ফোনে এই কৃতজ্ঞতা জানালে বলে তোমার প্রতি আমিও কৃতজ্ঞ। তুমি আর আমি একই এলাকার জেনে আরো ভালো লাগলো। ভালো থেকো জিসান। সরকারের কাস্টমস বিভাগের একজন চৌকস কর্মকর্তা হিসেবে দেশের সেবা করবে এটাই আমার দৃঢ় বিশ্বাস।”

সাব্বির আহাম্মেদ জিসানের এই কৃতিত্বে পিতা-মাতা, স্বজন, শিক্ষক ও গ্রামবাসীর মাঝে আনন্দের ঢেউ বয়ছে।

পাপ্র/সুআআ