ঢাকাMonday , 16 August 2021
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইটি বিশ্ব
  4. আজকের পত্রিকা
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া সংবাদ
  7. ইউনিয়ন নির্বাচন
  8. ইতিহাস
  9. ইসলাম ও জীবন
  10. ঐতিহ্য
  11. কবিতা
  12. করোনা
  13. কৃতি সন্তান
  14. কৃষি সংবাদ
  15. খেলা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাকুন্দিয়ায় মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ -২১ উপলক্ষে আলোচনা সভা

Link Copied!

সারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও ১৯৯২ সাল থেকে প্রতি বছর ১ থেকে ৭ আগস্ট বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালন করছে। দেশে ২০১০ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দিবসটি জাতীয়ভাবে পালন করা হচ্ছে। মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর গুরুত্ব সম্পর্কে সবাইকে অবহিত, জনস্বাস্থ্য সেবার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং সর্বোচ্চ সফলতার জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করার লক্ষ্যে দিবসটি পালন করা হয়।

সেই ধধারাবাহিকতায় কিশোরগঞ্জ পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সাপ্তাহ -২১ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (১৬ আগস্ট) বেলা ১২ ঘটিকায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হল রুমে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার( ইউএনও) রোজলিন শহীদ চৌধুরী, পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রেনু, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শারমিন শাহনাজ, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ রাবেয়া আক্তার, ডাঃ শাহ মোহাম্মদ হাসানুর রহমান,ডাঃ তানজিন হোসেন,ডাঃ এজাজ জাহিদুল ইসলাম, ডাঃ মাহমুদুল হাসান,ডাঃ আশরাফুজ্জামান খান প্রমুখ।

বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ দিবস ২০২১ সম্পর্কে ডাঃ শারমিন শাহনাজ বলেন বর্তমান অবস্থায় প্রত্যেক মা সব সময় পরিষ্কার থাকতে হবে। বেশি বেশি সাবান দিয়ে হাত দুতে হবে।পাশা-পাশি বাচ্চাকেও পরিষ্কার রাখতে হবে।এবং বাচ্চা জন্মের পরে ৬ মাস পর্যন্ত শুধু মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। তিনি জানান, ১ থেকে ৭ আগস্ট এর মধ্যে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২১ এর প্রোগ্রাম করার কথা ছিল কিন্তু করোনার ভ্যাকসিন কার্যক্রমের অনেক চাপ থাকার কারনে নিদিষ্ট সময়ে প্রোগ্রামটি করা হয়নি।

বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২১-এর উদ্দেশ্য হলো মায়ের দুধ খাওয়ানোর সুরক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করা; মায়ের দুধ খাওয়ানোকে জনস্বাস্থ্য সেবার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা এবং সর্বোচ্চ সফলতার জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করা।

আইবিএফএএনের তথ্য অনুযায়ী, শিশুকে মায়ের দুধ না খাওয়ালে নিউমোনিয়াজনিত মৃত্যুর ঝুঁকি প্রায় ১৫ গুণ, ডায়রিয়ায় মৃত্যুর ঝুঁকি প্রায় ১১ গুণ, শিশুদের অপুষ্টি ও অন্যান্য কারণে মৃত্যুর ঝুঁকি প্রায় ১৪ গুণ এবং জন্ডিস, কানপাকা ও পরিপাকতন্ত্রের সংক্রমণসহ ডায়রিয়ার শঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া শারীরিক বৃদ্ধি ও বুদ্ধির বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়; বয়সের তুলনায় ওজন অতিরিক্ত বৃদ্ধি পায়; দীর্ঘস্থায়ী রোগের (ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, স্থূলতা) ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।