ঢাকাFriday , 20 August 2021
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইটি বিশ্ব
  4. আজকের পত্রিকা
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া সংবাদ
  7. ইউনিয়ন নির্বাচন
  8. ইতিহাস
  9. ইসলাম ও জীবন
  10. ঐতিহ্য
  11. কবিতা
  12. করোনা
  13. কৃতি সন্তান
  14. কৃষি সংবাদ
  15. খেলা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাকুন্দিয়ায় বাসা ও প্রতিষ্ঠানের ছাদে দৃষ্টিনন্দন বাগান

Link Copied!

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মতো কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ছাদ বাগানের সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে।পৌরশহরসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাসাবাড়ির ছাদ এমনকি স্কুলের ছাদেও শোভা পাচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ফলজ, ভেষজসহ বিভিন্ন ধরনের সবজির বাগান। সেইসঙ্গে বাড়ির আঙিনাতেও স্বল্প পরিসরে বাগান গড়ে তোলায় আগ্রহী হচ্ছে মানুষ। সেসব বাগানে বাহারি ফুলের পাশাপাশি ফল গাছের সমারোহ দেখা যায়।

এসব বাগানে উৎপাদিত ফল ও সবজি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ভেষজ গাছ ভূমিকা রাখছে রোগ নিরাময়ে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ছাদ বাগান স্থাপনে শৌখিন মানুষদের আগ্রহ দিন দিন বেড়ে চলছে। যা এখন শহর থেকে পল্লী গ্রামেও বিস্তার লাভ করছে। শৌখিন মানুষেরা সাধারণত দামি, ব্যতিক্রমী, অফ সিজনেও উৎপাদন করা যায় এমন ফলের চারা ছাদ বাগানে স্থাপন করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন। এর মাধ্যমে পরিবারের পুষ্টির চাহিদাটাও পূরণ করতে পারছে।

বারোমাসি ও বিদেশি দামি ফল ছাদ বাগানের একটি বড় অংশ দখল করে আছে। পাকুন্দিয়া উপজেলার পৌরসভা, আঙ্গিয়াদী, মির্জাপুর, হোসেন্দী, জাঙ্গালিয়া,দরগা বাজারসহ বেশ কিছু গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে প্রায় ৮০-৯০টি ছাদ বাগান রয়েছে। দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ছাদ বাগানের সংখ্যা।

এর মধ্যে উপজেলার আদিত্যপাশা গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও ১৬৩ নং বেবুলা আদিত্যপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমিদাতা মো. আতিকুর রহমান ( আপন) বেবুলা আদিত্যপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদে বাগান দেখে অনেকেই নিজ বাসা – বাড়ির ছাদে বাগান স্থাপন বা বৃক্ষরোপণে আগ্রহ বাড়ছে। তার এই উদ্যোগটি হতে পারে সারা দেশের সকল স্কুলের জন্য একটি মডেল।

অবসরপ্রাপ্ত এ শিক্ষক বলেন, ২০১৫ সালে অবসরে যাওয়ার পর উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হামিমুল হক সোহাগের পরামর্শে ২০১৭ সালে প্রথমে মাচা করে সবজি, পরে বিভিন্ন সুদৃশ্য ফুল, পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ফলের চারা রোপণ করি। এর মধ্যে ড্রাগন ফলও রয়েছে।

২০১৯ সালে ড্রাগনের ফলন শুরু হয়, স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা এ বাগান দেখে তাদের মধ্যেও বাগান স্থাপন ও বৃক্ষরোপণে উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যারা ড্রাগন চাষে আগ্রহী তাদেরকে এই ছাদ বাগান থেকে বিনামূল্যে কাটিং দেন এই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। এখন এই এলাকার প্রায় প্রতিটি ঘরে নূন্যতম ২ করে ড্রাগন ফলের গাছ আছে।

তিনি আরো বলেন এই বিদ্যালয়ের ছাদে ৮৮ টি ব্লক আছে, প্রতিটি ব্লকে ৩ থেকে ৫ টি ড্রাগন গাছ আছে আর প্রতিটি গাছে বছরে ২৫ থেকে ৩০ টি ড্রাগন ফল হয়। যার প্রতিটি ফলের ওজন হয় ২০০ গ্রাম ৩৫০ গ্রাম হয়ে থাকে। এতে করে আমার পরিবার, স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষর্থীরা খেয়ে পুষ্টির চাহিদা মেটাতে সক্ষম হচ্ছে।

আঙ্গিয়াদী ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হামিমুল হক সোহাগ বলেন, পল্লী অঞ্চলে ও যাদের ছাদ বাগান করার সুযোগ আছে তাদের পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে ছাদ বাগান স্থাপনে উৎসাহ দেয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে পারিবারিক পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রোগ নিরাময়েও ভেষজ উদ্ভিদ কাজে লাগবে। মানুষের আগ্রহ সৃষ্টির জন্য আমি নিজেও উপজেলা পরিষদ কোয়ার্টারের ছাদে বাগান করেছি। যেখানে এখন বিভিন্ন ধরনের ফল ধরেছে। যা দেখে আশেপাশের লোকজনেরও আগ্রহও বাড়ছে।