ঢাকাSunday , 1 August 2021
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইটি বিশ্ব
  4. আজকের পত্রিকা
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া সংবাদ
  7. ইউনিয়ন নির্বাচন
  8. ইতিহাস
  9. ইসলাম ও জীবন
  10. ঐতিহ্য
  11. কবিতা
  12. করোনা
  13. কৃতি সন্তান
  14. কৃষি সংবাদ
  15. খেলা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাকুন্দিয়ায় নারী সাংবাদিককে হয়রানি ও নির্যাতনের অভিযোগ

Link Copied!

কিশোরগঞ্জ পাকুন্দিয়া সদর পৌর এলাকা পাকুন্দিয়া সরকারি ডিগ্রি কলেজ সংলগ্নে ইট ও টিনের বেড়া দিয়ে স্থানীয় নারী সাংবাদিক তাছলিমা আক্তার মিতু বাড়ির রাস্তা বন্ধের অভিযোগ উঠেছে।

এতে মিতুর পরিবার সহ ছয়টি পরিবার অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে আলমগীর হোসেন গং নামে এক প্রতিবেশী এ কাজ করেছে।

এদিকে, রবিবার (০১ আগস্ট) বিকালে এস আই আশরাফুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রাস্তাটি খুলে দেয়ার নির্দেশ দেওয়ার পরও প্রভাবশালীরা রাস্তাটি বন্ধ করে রেখেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, চলাচলের জন্য একটি মাটির রাস্তা স্থানে ইটের দেওয়াল ও টিনের বেড়া দিয়ে রাস্তাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

রাস্তার ব্যাপারে স্থায়ী সমাধানের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর গত বছর একটি লিখিত আবেদন করেছেন দৈনিক শতাব্দীর কন্ঠ স্টাফ রিপোর্টার পাকুন্দিয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সাংবাদিক তাছলিমা আক্তার মিতু ।
আবেদনে তিনি জানান, আমি আমার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পৈত্রিক ভিটায় বেশি সময় ধরে বসবাস করছি। আমাদের বাড়ি থেকে বের হওয়ার একমাত্র রাস্তাটি আমার নানার আমল থেকে ব্যবহার করে আসছি। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন আমাদের বাড়িসহ আশেপাশের শতাধিক লোকের চলাচল। আমার প্রতিবেশী আলমগীর হোসেন গং, অবৈধভাবে মাঝখানে টিনের বেড়াও ইটের দেওয়াল দিয়ে দীর্ঘদিনের এই চলাচলের রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকের পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, গত ৩০ জুলাই প্রতিবেশী আলমগীর হোসেন গং, টিনের বেড়া দিয়ে রাস্তাটি বন্ধ করে।

পরে গত শনিবার ইটের দেওয়াল দিয়ে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয় রাস্তাটি। এতে বিকল্প কোনো রাস্তা না থাকায় ছয়টি পরিবারের সদস্যরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। অবরুদ্ধ পরিবারের সদস্য বলেন, তারা আমাদের জমিতে জবর দখল করে ঘর নির্মাণ করতে চাইলে আমরা তাতে বাধা দিই। কিন্তু তারা তা মানেনি তাই আমরা আইনের আশ্রয় নিলে তারা হিংসার বশবর্তী হয়ে রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়। এলাকায় তারা প্রভাবশালী হওয়ায় মাঝে মধ্যেই সামান্য কারণেই তারা রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়। অচথ এই রাস্তাটি আমার বাপ-দাদার সম্পত্তিতে।

এবিষয়ে আলমগীরের মোবাইল ফোনে একাধিক বার কল করেও তাঁকে পাওয়া যায় নি। এ বিষয়ে পাকুন্দিয়া থানার ওসি সারোয়ার জাহান বলেন, সাংবাদিক মিতুর অভিযোগটি গ্রহন করেছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে দেয়াল উঠানোর কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। তিনি জানান, এর পরেও যদি আসামিপক্ষ দেয়াল উঠায় তবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব‍্যাবস্থা নেয়া হবে।