শনিবার, ১২ জুন ২০২১, ১০:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
পাকুন্দিয়া প্রতিদিন আরও সমৃদ্ধ ও পাঠকপ্রিয় হয়ে উঠবে আগামী দিনগুলোতে সেসময়ে ইন্টারনেট এতটা গতিশীল ছিল না,কিন্তু পাকুন্দিয়া প্রতিদিন এর খবর গুলোর জনপ্রিয়তা ছিল ৪ ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়েছে সাকিবকে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে ; বাড়তে পারে বৃষ্টিপাত জুয়া,ও মাদক নির্মূলে মসজিদে পাকুন্দিয়া থানা ওসির প্রচারনা স্বতন্ত্র কিছু বৈশিষ্ট্যের কারণেই পত্রিকাটি পাকুন্দিয়ার মানুষের কাছে জনপ্রিয় রাগে উইকেট ভেঙে ফেলেন সাকিব ; অবশেষে চাইলেন ক্ষমা আমি যে কয়টি অনলাইন পত্রিকা পড়ি তাদের মধ্য পাকুন্দিয়া প্রতিদিন অন্যতম করোনায় দেশে ২৪ ঘণ্টায় ৪৩ জনের মৃত্যু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ

কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম আভায় সেজেছে প্রকৃতি

মালেকা বানু (অতিথি লেখক)
  • Update Time : রবিবার, ৬ জুন, ২০২১
  • ৩২ Time View

“কৃষ্ণচূড়া, লালে রাঙা আগুন ঝরা
প্রিয়ার খোপার ফুল ” কৃষ্ণচূড়া বৃক্ষ জাতীয় উদ্ভিদ যার বৈজ্ঞানিক নাম ডেলোনিক্স রেজিয়া (Delonix regia)। এই গাছ চমৎকার পত্র-পল্লব এবং আগুনলাল কৃষ্ণচূড়া ফুলের জন্য প্রসিদ্ধ। এসম্পর্কে মনের জমিয়ে থাকা কিছু কথা উপস্থাপন করেছেন মালেকা বানু…

কৃষ্ণচূড়া পুরো গ্রীষ্ম ও বর্ষায় প্রকৃতিকে মাতিয়ে রাখে। বিভিন্ন দেশে এই ফুল বিভিন্ন সময়ে ফুটলেও বাংলাদেশে ফুটে এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত। এই পুরো সময়টাতেই কৃষ্ণচূড়া প্রকৃতিকে মাতিয়ে রাখে উজ্জ্বল লাল আভায়। কৃষ্ণচূড়া একটি বৃক্ষ জাতীয় উদ্ভিদ। যার বৈজ্ঞানিক নাম ডেলোনিক্স রেজিয়া। এ গাছ চমৎকার পত্রপল্লব এবং আগুনলাল কৃষ্ণচূড়া ফুলের জন্য বিখ্যাত। এটি ফ্যাবেসি পরিবারের অন্তর্গত একটি গাছ, যা ‘গুলমোহর’ নামেও পরিচিত।

প্রকৃতির শোভা বর্ধনকারী এ বৃক্ষের উচ্চতা তেমন একটা বেশি হয় না। সর্বোচ্চ ১২ মিটার পর্যন্ত উপরে উঠলেও তার শাখা-প্রশাখা বিশাল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত থাকে।

কৃষ্ণচূড়া বাঙালির কাছে অতিপরিচিত একটি ফুল। বাঙালির কবিতা, সাহিত্য, গান ও নানা উপমায় এর রূপের মোহনীয় বর্ণনা বিভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। মোহনীয় রূপে প্রকৃতির শোভা বর্ধনকারী এ বৃক্ষ এখনো গ্রামবাংলার পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন স্থানে দেখা যায়। প্রকৃতিতে গ্রীষ্মের ছোঁয়া পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই কৃষ্ণচূড়া তার রক্তিম আভা ছড়ানোর মাধ্যমে জানান দেয়-সে এখনও টিকে আছে প্রকৃতিকে সাজাবে বলে।

নিসর্গবিদ মোকারম হোসেন কৃষ্ণচূড়ার বর্ণনা দিতে তার ‘মজার ফুল মজার গাছ’ বইয়ে লিখেছেন, কৃষ্ণচূড়া সবার প্রিয় একটি ফুল। লাল টুকটুকে উজ্জ্বল রঙের এই ফুলটি অনেক দূর থেকেই আমাদের চোখে পড়ে। তবে গ্রীষ্মের ফুল হলেও আমাদের কবিরা ভুল করে বসন্তের নানান উপমায় কৃষ্ণচূড়ার কথা বলেছেন। সে যাই হোক, কৃষ্ণচূড়া গ্রীষ্মকালজুড়েই আমাদের চারপাশ রাঙিয়ে রাখে।

বাঙালির কবিতা, সাহিত্য, গান ও নানা উপমায় কৃষ্ণচূড়ার রূপের মোহনীয় বর্ণনা বিভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। যেমন :-
‘কৃষ্ণচূড়ার রাঙা মঞ্জুরি কর্ণে-
আমি ভুবন ভুলাতে আসি গন্ধে ও বর্ণে’
কবি কাজী নজরুল ইসলামের এই মনোমুগ্ধকর গানে আমরা উপলব্ধি করি কৃষ্ণচূড়ার সৌন্দর্য। প্রখর রোদে পোড়া প্রকৃতি যেন নিজেও তার প্রাণ ফিরে পায় কৃষ্ণচূড়া ফুল ফোটার মাঝে। পথচারীর পথচলা কিছুটা হলেও শ্লথ হয় ফুলের দিকে চেয়ে অথবা গাছের নিচে দাঁড়িয়ে। উষ্ণ আবহাওয়ায় দৃষ্টি ও মনকে শান্তির পরশ বুলিয়ে দিতে কৃষ্ণচূড়া ফুলের কোনো জুড়ি নেই। গ্রীষ্মজুড়ে পাতাহীন গাছেও অজস্র ধারায় ফুল ফোটে। প্রকৃতির এই রুক্ষ-শুষ্ক মৌসুমে কৃষ্ণচূড়া আসে মানব মনকে শীতল পরশ বোলাতে, ক্লান্তি দূর করে নব উদ্যমে জাগিয়ে তুলতে।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০১৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | এই ওয়েবসাইটের কোনো কনটেন্ট অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
কারিগরি সহযোগিতায়: Ashraf Ali Sohan
www.ashrafalisohan.com