Pakundia Pratidin
ঢাকাশনিবার , ২১ মে ২০২২
  1. আন্তর্জাতিক
  2. ইতিহাস
  3. ইসলাম ও জীবন
  4. কৃতি সন্তান
  5. জাতীয়
  6. জেলার সংবাদ
  7. তাজা খবর
  8. পাকুন্দিয়ার সংবাদ
  9. ফিচার
  10. রাজনীতি
  11. সাহিত্য ও সংস্কৃতি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে দুই ভাগে বিভক্ত পাকুন্দিয়া আওয়ামী লীগ

প্রতিবেদক
পাকুন্দিয়া প্রতিদিন ডেস্ক
মে ২১, ২০২২ ৬:০৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

হুমায়ূন কবীর, স্টাফ রিপোর্টার: কিশোরগঞ্জ জেলার আওয়ামী লীগের দুর্গ খ্যাত পাকুন্দিয়া উপজেলা কিশোরগঞ্জ -২ আসন গঠিত হয়েছে পার্শবর্তী কটিয়াদি উপজেলা নিয়ে ২০০১ সালে। এর আগে পাকুন্দিয়া ও হোসেনপুর নিয়ে কিশোরগঞ্জ -১ আসন ছিল।
টানা পাঁচবার স্থানীয় সাংসদ ও তিনবার আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা থাকার কারণে দলটি এখন একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে আসছিল পাকুন্দিয়া উপজেলায়। একচ্ছত্র আধিপত্যের কারণেই আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে শুরু হয় ক্ষমতার প্রভাব আর আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে এ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও তাঁর সহযোগী সংগঠন তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়টি শীর্ষ নেতারা স্বীকার করেন, একভাগের নেতৃত্ব রয়েছেন পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও কিশোরগঞ্জ-২ ( পাকুন্দিয়া – কটিয়াদি) আসনের সাবেক সাংসদ এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এডভোকেট সোহরাব উদ্দিন।
অন্য গ্রুপের নেতৃত্বে রয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রফিকুল ইসলাম রেনু এবং পাকুন্দিয়া উপজেলার বাসিন্দা না হয়েও, দলীয় কোন পদ নেই তবুও তৃতীয় অংশের নেতৃত্বে রয়েছেন সাবেক আইজিপি, সচিব ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকিটে কিশোরগঞ্জ -২ ( পাকুন্দিয়া – কটিয়াদি) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য নূর মোহাম্মদ।
মাঠে রাজনীতি তিন গ্রুপে করলেও কার্যত ২ টি ভাগেই লবিং গ্রুপিং সর্ব ক্ষেত্রে। একটি নেতৃত্ব দিচ্ছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক এডভোকেট সোহরাব উদ্দিন অপরটির নেতৃত্বে রয়েছেন বর্তমান সাংসদ নূর মোহাম্মদ এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম।
বিগত উপজেলার একটি পৌরসভা ও নয়টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে দেখা গিয়েছিল দলীয় বিভেদ। এদিকে ৯০ দিনের আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে প্রায় ১৯ চলার পর ২০১৯ সালের ৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা কমিটির নির্দেশক্রমে পাকুন্দিয়া সরকারি কলেজ ভবনের তৃতীয় তলায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা।
সভায় সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়। এ সভার মাধ্যমে স্থানীয় সাংগঠনিক অচলাবস্থার নিরসনের উদ্যোগ নেন স্হানীয় সাংসদ নূর মোহাম্মদ, দলে তাঁর পদ নেই। তবু সংসদীয় আসন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী পাকুন্দিয়া) এলাকার দুই উপজেলার সব পর্যায়ের কমিটি গঠনে তিনি বেশ তৎপর।
নূর মোহাম্মদের বাড়ি কটিয়াদীতে। পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নেই প্রায় দুই যুগ। দীর্ঘ সময় আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিচ্ছে আহ্বায়ক কমিটি। আর আহ্বায়ক পদটি আগলে রেখেছিলেন এ এফ এম ওবায়দুল্লাহ। কিন্তু তাঁর হাত ধরে নতুন নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা পায়নি। বরং আওয়ামী লীগ একাধিক ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়ে।
কোন্দলের কারণে অর্ধশতাধিকবার সংঘর্ষ হয়। লাঞ্ছিত হন দলের অসংখ্য নেতা। অনেক আহ্বায়ক সদস্য মারা গেছেন অনেক দিন আগে। দুবার সম্মেলনের প্রস্তুতি নিয়েও করা যায়নি। শেষে তিনি ব্যর্থতার দায় জেলা নেতাদের ঘাড়ে চাপিয়ে ২০২০ সালের ২০ সেপ্টেম্বর পদ থেকে সরে যান।
তারপর জেলা আওয়ামী লীগ পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করেন। দলে তাঁর পদ নেই। তবু সংসদীয় এলাকার পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের তৃণমূল কে শক্তিশালী করতে তাঁর নেতৃত্বে সকল ইউনিয়নের কমিটি গঠন প্রক্রিয়া চলমান রেখেছিলেন। এই ঘটনায় গত বছরের ২১ জুন কেন্দ্র সব ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশনা পাঠায়। তবুও থেমে যাননি সাংসদ।
এরপর ৯ জুলাই কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এক চিঠির মাধ্যমে নূর মোহাম্মদের করা সব ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত করে দেন। বিলুপ্তির পর ২২শে জুলাই জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এডভোকেট মো. সোহ্‌রাব উদ্দিনকে আহ্বায়ক নির্বাচিত করে এক সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়।
তখন থেকেই তৃনমূল আওয়ামী লীগের উত্তেজনা চরমে। পরবর্তীতে গত ২৮শে জুলাই জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এক চিঠির মাধ্যমে এডভোকেট মো. সোহ্‌রাব উদ্দিনকে পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নির্দিষ্ট সংখ্যক সদস্যদের সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
এর আলোকে গত ৯ই সেপ্টেম্বর পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ৬৭ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দিয়েছিল জেলা আওয়ামী লীগ। কমিটিতে তিনজনকে যুগ্মআহ্বায়ক করা হয়েছিল। আহ্বায়ক হিসেবে সোহরাবের নাম ঘোষণায় দলের একাংশ খুশি হলেও বেজায় নাখোশ হয়েছেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রেনু এবং বর্তমান সাংসদ নূর মোহাম্মদের অনুগতরা।
তারপর কঠোর লকডাউন উপেক্ষা করে বিক্ষোভ মিছিল করেন তাঁরা। বিভিন্ন জাতীয় দিবসে আওয়ামী লীগের দুটি গ্রুপে বেশ কয়েক বার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছিল। আহত হয়েছে শতাধিক নেতা কর্মী। কয়েকটি মামলায় আসামি হয়েছে কয়েক শত তৃনমুলের নেতাকর্মী।
গত ২১ শে ফেব্রুয়ারি আহ্বায়ক কমিটি থেকে ১০ জন পদত্যাগ করেন পরবর্তীতে ১৭ এপ্রিল এডভোকেট মো. সোহ্‌রাব উদ্দিনের বাসভবনে উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সর্বশেষ ১৬ই মে হোসেন্দী ইউনিয়ন ও ২৩ শে মে নারান্দী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা কে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েকটি টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ।
গত বৃহস্পতিবার (১৯ মে) বিকাল ৫টার দিকে আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটি বাতিলের দাবীতে তৃণমূল আওয়ামী লীগের ব্যানারে (নূর মোহাম্মদ এমপি সমর্থিত) পাকুন্দিয়া পৌরসদর ঈদগাহে এই প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রেনুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া-কটিয়াদী) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদ।
একই দিনে বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ চরফরাদী ইউনিয়ন শাখার নয়টি ওয়ার্ডের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক এডভোকেট সোহরাব উদ্দিন।
এক পক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রাখেন। এডভোকেট সোহরাব উদ্দিন গ্রুপের পক্ষে রয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের একাংশের নেতারা এছাড়াও রয়েছেন উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক একরাম হোসেন টিপুসহ বেশির ভাগ যুবলীগের নেতা, সেচ্ছাসেবক লীগের আংশিক নেতা কর্মী, উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক এখলাস উদ্দিনসহ বেশির ভাগ ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা সোহরাব উদ্দিনের ভ্যানগার্ড হয়ে কাজ করছেন।
সোহরাব উদ্দিনের অনুসারী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ভিপি ফরিদ উদ্দিন বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি হওয়ার পর থেকে তাঁদের ওপর একের পর এক বাধা আসছে। কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশ অনুযায়ী তাঁরা দ্রুত সময়ে ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটি ঘোষণা করতে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় তাঁরা ৪ মে উপজেলার পাটুয়াভাঙা ইউনিয়নের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলনের মাধ্যমে ওয়ার্ড কমিটি গঠন শুরু করেন।
প্রথম ইউনিয়নটি ভালোভাবে করলেও পরেরবার থেকে বিরোধী পক্ষটি পুলিশের সহায়তায় নানাভাবে তাদের বাধাবিপত্তি ও হয়রানি করছে। গত শুক্রবার তাঁরা হোসেন্দী ইউনিয়ন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলন করতে যান।
এ সময় বিরোধী পক্ষ তাঁদের মুখোমুখি হওয়ার সাহস না করলেও পুলিশ তাঁদের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এরপরও তাঁরা ওই দিন বাধার মুখেও হোসেন্দী ইউনিয়ন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কমিটি ঘোষণা করেন। পূর্বের ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার নারান্দি ইউনিয়ন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলনও বানচাল করার জন্য বিরোধী পক্ষটি অনেক চেষ্টা চালায়। তবে শেষ পর্যন্ত তাঁদের নেতা-কর্মীদের প্রতিবাদের মুখে বিরোধী পক্ষটি টেকেনি।  তারপর চরফরাদী ইউনিয়ন ও এগারসিন্দুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন করেন কোন বাধা ছাড়াই।
এ বিষয়ে সোহরাব উদ্দিন বলেন,  যতই বাধাবিপত্তি আসুক। কেন্দ্রের নির্দেশ ও পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করতে তাঁরা দ্রুত সময়ে বাকি ইউনিয়নগুলোর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলন ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন শেষ করবো।
অপর পক্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রেনু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট হুমায়ুন কবির, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোতায়েম হোসেন স্বপন, জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের উপদেষ্টা আতাউল্লাহ সিদ্দিক মাসুদ, উপজেলা কৃষক লীগের সাবেক সভাপতি বাবুল আহমেদ, পৌর মেয়র মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম আকন্দ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদ জুয়েল, উপজেলার নারান্দী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ভিপি শফিকুল ইসলাম, হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান হাদিউল ইসলাম হাদি, বুরুদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা রুবেল, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ভিপি হেলাল উদ্দিন, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি নাজমুল হক দেওয়ানসহ উপজেলা আওয়ামী লীগের একাংশের নেতা কর্মী।
এবিষয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রেনু বলেন, দলের ত্যাগি, পরীক্ষিত নেতাদের এ কমিটি থেকে বাদ দিয়ে নিষ্ক্রিয়, অযোগ্য, অপরিচিত ও জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীদের দিয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে দলের ভাবমূর্তি মারাত্মক ভাবে বিনষ্ট হয়েছে।  এর প্রতিবাদে সম্প্রতি ১০জন সদস্য এ অবৈধ কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন। দ্রুত এই কমিটি বাতিল করতে দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংসদ সদস্য নূর মোহাম্মদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল। এই দলটিকে নিয়ে পাকুন্দিয়া উপজেলায় কি হচ্ছে কিছুদিন যাবৎ আপনারা সকলেই অবগত আছেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পাকুন্দিয়া উপজেলার ত্যাগী তৃণমূল নেতৃবৃন্দ যেমন পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম রেনু, সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট হুমায়ুন কবির, পৌর মেয়র মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম আকন্দ সহ সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের বাদ দিয়ে যে আওয়ামী লীগ তা নকল আওয়ামী লীগ। ত্যাগীদের বাদ দিয়ে যে আওয়ামী লীগ তা গ্রহন যোগ্য নয়।
এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাকর্মীর সঙ্গে কথা বললে তারা জানান , মাদক ব্যবসায়ী, টেন্ডারবাজি, অনুপ্রবেশকারী যারা ২০০৮ সালের পর যারা দলে প্রবেশ করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন তারাই নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য দলে এই বিভেদ সৃষ্টি করেছেন।
বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের হাইব্রিড নেতাদের আধিপত্য বেশি হওয়ায় প্রবীণ ও ত্যাগী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা কোনঠাসা হয়ে পড়ছেন। তবে কোনো অজ্ঞাত কারণে এই বিভাগটি মেটানো সম্ভব হচ্ছে না বলে মনে করেন তারা।
-এসআর/পাপ্র

error: Content is protected !!